yy

ইতিহাসের পাতায় ফুলিয়া: মহাকবি কৃত্তিবাস ও ভক্ত হরিদাসের পুণ্যভূমি নদীয়া জেলার শান্তিপুর সংলগ্ন এক শান্ত জনপদ ফুলিয়া। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ গ্রাম মনে হলেও, এর প্রতি ধূলিকণায় মিশে আছে বাংলার আদি মহাকাব্যের সুর এবং আধ্যাত্মিক সাধনার ইতিহাস। কলকাতা থেকে মাত্র ৫৪ মাইল দূরে অবস্থিত এই গ্রামটি আজও সাহিত্যপ্রেমী ও ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে এক পরম তীর্থস্থান। বাঙালির প্রাণের কবি: মহাকবি কৃত্তিবাস ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দে মাঘ মাসের এক পুণ্য রবিবারে সরস্বতী পূজার দিনে জন্মগ্রহণ করেন মহাকবি কৃত্তিবাস। তাঁর বাবা বনমালী ও মা মালিনী দেবী ছিলেন 'মুখুটি' গোত্রীয় ব্রাহ্মণ। কৃত্তিবাসের বংশের উপাধি ছিল 'ওঝা'। তৎকালীন গৌড়েশ্বরের অনুরোধে তিনি সংস্কৃত রামায়ণের অনুবাদ শুরু করেন। তবে তিনি কেবল অনুবাদ করেননি, বরং বাল্মীকির মূল কাহিনীর সাথে বাংলার নিজস্ব লোকগাথা ও সমাজচিত্রকে মিশিয়ে দিয়ে এক মৌলিক কাব্য তৈরি করেন। বাঙালির অতি পরিচিত 'অকালবোধন' বা রামচন্দ্রের দুর্গাপূজার বর্ণনা তাঁরই অমর সৃষ্টি। কৃত্তিবাসের বংশলতিকা: এক নজরে মহাকবি কৃত্তিবাসের পারিবারিক আভিজাত্য বুঝতে তাঁর বংশধারাটি লক্ষ্য করা প্রয়োজন। আপনার জন্য নিচে একটি ছক দেওয়া হলো: পর্যায় সদস্যের নাম ও সম্পর্ক মূল পুরুষ মুরারি ওঝা দ্বিতীয় প্রজন্ম বনমালী, লক্ষ্মীধর এবং অনিরুদ্ধ (মুরারি ওঝার তিন পুত্র) তৃতীয় প্রজন্ম কৃত্তিবাস, শান্তি, মাধব, মৃত্যুঞ্জয়, বলভদ্র, শ্রীকণ্ঠঃ, চতুর্ভুজ ও মনোহর (বনমালীর ৮ পুত্র) পরবর্তী ধারা মৃত্যুঞ্জয়ের পুত্র মালাধর খাঁ; তাঁর দুই পুত্র সুষেন পণ্ডিত ও গঞ্জানন্দ ফুলিয়ার বর্তমান রূপ ও প্রধান দর্শনীয় স্থান একসময় ফুলিয়ার কোল ঘেঁষে প্রবাহিত হতো উত্তাল গঙ্গা। বর্তমানে গঙ্গা প্রায় ৪ মাইল দূরে সরে গেলেও কৃত্তিবাসের স্মৃতিচিহ্নগুলো আজও অম্লান। স্মৃতি স্তম্ভ: ১৯১৬ সালে (১৩২২ বঙ্গাব্দ) স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এখানে কৃত্তিবাসের স্মৃতি স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। স্তম্ভের গায়ে খোদিত কবিতাটি আজও পথিকের শ্রদ্ধা কেড়ে নেয়। কৃত্তিবাস কূপ: কবির জন্মভিটার কাছেই রয়েছে প্রাচীন একটি কূপ, যা বর্তমানে সংস্কার করা হয়েছে। দোলমঞ্চ: স্তম্ভের দক্ষিণ দিকে প্রাচীন বটবৃক্ষের তলায় একটি প্রাচীন ইষ্টক স্তূপ রয়েছে, যা কবির দোলমঞ্চ হিসেবে পরিচিত। হরিদাস ঠাকুরের সাধনপীঠ ও অসাধারণ ক্ষমা ফুলিয়ার অন্যতম আকর্ষণ হলো ভক্ত শিরোমণি হরিদাস ঠাকুরের সাধনপীঠ। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও হিন্দু ধর্মে অগাধ ভক্তি থাকায় তাঁকে সমকালীন শাসকের রোষানলে পড়তে হয়। তাকে বাইশ বাজারে বেত্রাঘাত করার আদেশ দেওয়া হলেও তিনি নিরবে সব সহ্য করেন এবং অত্যাচারীদের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। শ্রীচৈতন্যদেব স্বয়ং তাঁকে "পৃথিবীর শিরোমণি" উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। হরিদাস ঠাকুর যেখানে গুহার মধ্যে সাধনা করতেন, সেখানে আজ একটি সুন্দর মঠ বা মন্দির গড়ে উঠেছে। মন্দিরের বিগ্রহগুলো অত্যন্ত সুন্দর এবং শান্ত পরিবেশে ঘেরা এই স্থানটি মনের প্রশান্তি যোগায়। কেন যাবেন ফুলিয়ায়? আপনি যদি ইতিহাস ভালোবাসেন বা গ্রামীণ বাংলার নির্মল শান্তিতে কিছুক্ষণ কাটাতে চান, তবে ফুলিয়া আপনার জন্য সেরা গন্তব্য। প্রতি বছর মাঘ মাসে এখানে একটি বড় সম্মেলন হয় যেখানে সাহিত্যসেবীদের মিলনমেলা ঘটে। কৃত্তিবাসের স্মৃতি স্তম্ভের সামনে দাঁড়ালে আজও যেন কয়েকশ বছর আগের সেই সমৃদ্ধ ফুলিয়ার ঘ্রাণ পাওয়া যায়। ফুলিয়া ফুলিয়া শান্তিপুর শাখায় রাণাঘাট হইতে ৯ মাইল এবং কলিকাতা হইতে ৫৪ মাইল দূর। ফুলিয়া "ভাষা-রামায়ণ"-কার মহাকবি কৃত্তিবাসের জন্মস্থান। ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দের মাঘমাস রবিবার শুক্লা পঞ্চমীর দিন সরস্বতী পূজার শুভবাসরে বাণীর বরপুত্র মহাকবি কৃত্তিবাস জন্মগ্রহণ করেন। তাঁহার পিতার নাম বনমালী ও মাতার নাম মালিনী দেবী। ইঁহারা মুখুটি-ব্রাহ্মণ; এই বংশের নবাব প্রদত্ত উপাধি ছিল 'ওঝা"। কৃত্তিবাসের সময়ে ফুলিয়া অতি সমৃদ্ধ স্থান ছিল; তখন ইহার দক্ষিণ ও পশ্চিম দিক দিয়া গঙ্গা প্রবাহিত হইত। আত্মপরিচয় প্রসঙ্গে কৃত্তিবাস লিখিয়াছেন, "গ্রামরত্ন ফুলিয়া জগতে বাখানি। দক্ষিণে পশ্চিমে বহে গঙ্গা তরঙ্গিণী।।" গুরু গৃহে শিক্ষা সমাপনান্তে কৃত্তিবাস পণ্ডিতরূপে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। রাজপণ্ডিত হইবার আশায় তিনি গৌড়েশ্বরের সভায় গমন করেন এবং স্বরচিত পাঁচটি সংস্কৃত শ্লোক রাজার নিকট প্রেরণ করেন। রাজসভায় তিনি যথেষ্ট সম্মান লাভ করেন। গৌড়েশ্বরের ইচ্ছানুসারে তিনি গৃহে প্রত্যাগমন করিয়া বঙ্গভাষায় রামায়ণ রচনা করিতে আত্মনিয়োগ করেন। এই গৌড়েশ্ব কে ছিলেন, তদ্বিষয়ে যথেষ্ট মতভেদ আছে; কেহ কেহ বলেন 'যে তাহিরপুরে রাজা কংসনারায়ণই কৃত্তিবাস বর্ণিত গৌড়েশ্বর, আবার কাহারও কাহারও মতে রাজা গণেশ ও এই গৌড়েশ্বর অভিন্ন। কৃত্তিবাস রচিত রামায়ণই বাংলা ভাষার আদি কাব্য বলিয়া অনেকের অভিমত। কৃত্তিবাস বাল্মীকির রামায়ণের যথাযথ অনুবাদ না করিয়া উহার আখ্যানভাগ অবলম্বনে মৌলিক মহাকাব্য রচনা করিয়াছেন। স্থানে স্থানে তিনি অন্যান্য পুরাণ হইতে বা কথকগণের প্রমুখাৎ শ্রুত হইয়া আখ্যান ভাগের মধ্যে স্থান পরিচিতি ৪৩৭কর্তৃক রাবণের মৃত্যুবাণ হরণ, মহীরাবণ বধ ও লবকুশের যুদ্ধ প্রভৃতি সুপরিচিত নব নব বিষয়ের সন্নিবেশ করিয়াছেন। কৃত্তিবাস বণিত শ্রীরামচন্দ্রের দুর্গাপুজা, হনুমান বিষয়গুলি বাল্মীকির রামায়ণে দৃষ্ট হয় না। অধুনা কৃত্তিবাসী রামায়ণ নামে বাজারে যাহা বিক্রয় হয়, উহাতে কৃত্তিবাসের আদি রচনার সন্ধান অতি অল্পই পাওয়া যায়। প্রায় আশী বৎসর পূর্বে কলিকাতার সংস্কৃত কলেজে জয়গোপাল তর্কালঙ্কা নামক একজন অধ্যাপক ছিলেন। কৃত্তিবাসের আমলের প্রাচীন ভাষাকে সাধারণের সুবোধ করিবার জন্য তিনি কৃত্তিবাসী রামায়ণের ভাষার প্রায় আমূল সংস্কার করেন। কৃত্তিবাসের নামে প্রচলিত রামায়ণ প্রকৃতপক্ষে "জয়গোপালী" রামায়ণ। সম্প্রতি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের পক্ষ হইতে কৃত্তিবাসের মূল রচনা প্রকাশের প্রচেষ্টা চলিতেছে এবং কৃত্তিবাসী রামায়ণের কিয়দংশ প্রকাশিতও হইয়াছে। কৃত্তিবাসের সময়ের গ্রামরত্ব ফুলিয়া এখন জনবিরল পরিত্যক্ত পল্লির রূপ ধারণ করিয়াছে। ফুলিয়া হইতে গঙ্গা এখন প্রায় ৪ মাইল দূরে সরিয়া গিয়াছে। ২৬ বৎসর পূর্বে মহাকবি কৃত্তিবাসের ধ্বংসপ্রাপ্ত জন্মভিটায় সাহিত্যসেবীদিগের উদ্যোগে একটি স্মৃতি স্তম্ভ প্রতিষ্ঠিত হয়। উহার পার্শ্বে "কৃত্তিবাস কূপ” নামে একটি কূপ ও সম্মুখস্থ বিস্তৃত অঙ্গনের অপর দিকে "কৃত্তিবাস স্মৃতি বিদ্যালয়” নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। প্রতি বৎসর মাঘ মাসে শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে কৃত্তিবাসের জন্মভিটায় সাহিত্যসেবী ও স্বজাতিপ্রেমিক বাঙালিদিগের একটি সম্মেলন হয়। শিক্ষিত বাঙালি মাত্রেরই বাংলার আদি কবি ও অন্যতম প্রধান জনশিক্ষক মহাকবি কৃত্তিবাসের জন্মস্থানকে তীর্থের ন্যায় পবিত্রজ্ঞানে শ্রদ্ধার সহিত দর্শন করা কর্তব্য। কৃত্তিবাসের স্মৃতি স্তম্ভের গাত্রে নিম্নলিখিত কথাগুলি লিখিত আছে- "মহাকবি কৃত্তিবাসের আর্বিভাব-১৪৪০ খ্রিস্টাব্দ, মাঘমাস, শ্রীপঞ্চমী, রবিবার হেথা দ্বিজোত্তম আদি কবি বাঙ্গালার ভাষা রামায়ণকার কৃত্তিবাস লভিলা জনম, সুরভিত সুকবিত্বে ফুলিয়ার পুণ্যতীর্থে হে পথিক, সম্ভ্রমে প্রণম। শ্রীযুক্ত সার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় সরস্বতী কর্তৃক ভিত্তি স্থাপিত হইল। ২৭শে চৈত্র, ১৩২২ বঙ্গাব্দ।" সমাধি স্তম্ভের দক্ষিণদিকে একটি প্রাচীন বটবৃক্ষের নীচে একটি ভগ্ন ইষ্টক স্তূপ আছে। উহা কৃত্তিবাসের দোলমঞ্চ নামে পরিচিত। আশপাশের জমি হইতে কৃত্তিবাসের জন্মভিটা অনেক উচ্চ। অনুমান হয় যে এই স্থান খনন করিলে অনেক অট্টালিকাদির সন্ধান পাওয়া যাইতে পারে। কৃত্তিবাসের জন্মভিটার অতি নিকটে অবস্থিত হরিদাস ঠাকুরের সাধনপীঠ ফুলিয়ার অন্যতম দ্রষ্টব্য। বৈষ্ণব সাহিত্যে বর্ণিত আছে যে "যবন" হরিদাস বা ব্রহ্ম হরিদাস ঠাকুর ৪৩৮ নদিয়ার ইতিহাস / ২ বেনাপোল পরিত্যাগ করিবার পর শান্তিপুরে অদ্বৈত আচার্যের সহিত মিলিত হন এবং নিকটবর্তী ফুলিয়া গ্রামে গঙ্গাতীরে একটা "গোফা" বা মৃত্তিকা গাত্রে নির্মিত কুটীরের মধ্যে ভজন সাধন করিতে থাকেন। মুসলমান হইয়া তিনি হিন্দুধর্মের অনুষ্ঠান করায় কাজীর অভিযোগ অনুসারে মুলুকপতি বা প্রাদেশিক শাসনকর্তা তাহাকে লোকজন দিয়া ধরিয়া লইয়া যান এবং বহু যুক্তিতর্কের দ্বারাও তাহাকে স্বমতে আনিতে সমর্থ না হওয়ায় ক্রুদ্ধ হইয়া তাহাকে একে একে বাইশ বাজারে লইয়া গিয়া বেত্রাঘাত করিবার আদেশ দেন। সাধারণতঃ দুই তিন বাজারে মার খাইলেই লোকের জীবনান্ত হইত, কিন্তু ভক্ত শিরোমণি হরিদাস বাইশ বাজারে অতি গুরুতরভাবে প্রহৃত হইয়াও কোন রূপ দুঃখপ্রকাশ করিলেন না। যে সমস্ত লোক তাঁহাকে বিনাদোষে নির্যাতন করিতেছিল, তাহাদের অপরাধের কথা স্মরণ করিয়া তিনি করযোড়ে ভগবানের নিকট প্রার্থনা জানাইলেন, "এ সব জীবেরে প্রভু করহ প্রসাদ। মোরে দ্রোহে নহু এ সবার অপরাধ।।" জগৎ-প্রেমিক যীশু খ্রিস্টের পর এরূপ অপূর্ব ক্ষমার আদর্শ জগতের ইতিহাসে আর দেখা যায় না। বৈষ্ণব জগতে ঠাকুর হরিদাসের স্থান অতি উচ্চে। স্বয়ং শ্রীচৈতন্যদেব তাঁহাকে "পৃথিবীর শিরোমণি" বলিয়া বর্ণনা করিয়াছেন। হরিদাসের অপূর্ব্ব প্রভাবের পরিচয় পাইয়া কাজী ও মুলুকপতির মন ফিরিয়া গেল। তাহারা তাহাকে যথেচ্ছ বিচরণ ও ধর্মানুষ্ঠানের স্বাধীনতা প্রদান করিলেন। হরিদাস ঠাকুর ফুলিয়ায় ফিরিয়া আসিয়া সেই গোফার মধ্যে অবস্থান করতঃ প্রত্যহ তিন লক্ষ নাম গ্রহণ করিতে লাগিলেন। ফুলিয়ার বিখ্যাত ব্রাহ্মণ সমাজ তাহার অনুগত হইল। অনেকেই ধর্মালোচনার জন্য তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। বৈষ্ণবগ্রন্থে বণিত আছে যে হরিদাস ঠাকুরের গোফার মধ্যে এক বিষধর সর্পবাস করিত। হরিদাসের ভক্তগণ এই সর্পের বিষের জ্বালায় গোফার নিকটে আসিতে পারিতেন না, কিন্তু হরিদাস নিজে এ সম্বন্ধে কিছুই জানিতেন না বা তাহার কোন কষ্টবোধই হইত না। ভক্তগণের মুখে সর্পের বৃত্তান্ত শুনিয়া তিনি তাহাদের সুবিধার জন্য গোফা ত্যাগের উদ্যোগ করিলে সর্পই সেখান হইতে অন্যত্র চলিয়া গেল। কাটোয়ায় কেশব ভারতীর নিকট সন্ন্যাস দীক্ষা গ্রহণের পর নীলাচল গমনের পথে শ্রীচৈতন্যদেব সর্বপ্রথম ফুলিয়ায় হরিদাস ঠাকুরের আশ্রমে আগমন করেন এবং নবদ্বীপ বাসিগণ এই স্থানে আসিয়াই তাঁহার দর্শন লাভ করেন। তরুকুঞ্জ-শোভিত হরিদাস ঠাকুরের সাধনপীঠটি অতি শান্তরসাম্পদ স্থান। এখানে একটি মন্দির মধ্যে বলরাম, রেবতী, শ্রীকৃষ্ণ ও রাধিকার বিগ্রহ আছে। যে গোফায় বসিয়া হরিদাস ঠাকুর নাম জপ করিতেন, একটি বৃক্ষমূলে তাহার চিহ্ন আছে। মন্দিরের সম্মুখে একটি তুলসী বেদী ও কৃত্তিবাস পণ্ডিতের সমাধি নামে পরিচিত অপর একটি বেদী আছে। এই মন্দিরটি জনসাধারণের নিকট "ফুলিয়ার মঠ" নামে পরিচিত। মঠমধ্যবর্তী বিগ্রহ চতুষ্টয় দেখিতে অতি সুন্দর। এখানে প্রতি বৎসর দোল পূর্ণিমার সময় বহু যাত্রীর সমাগম হয়।

0 Comments:

Post a Comment

Designed by BuyBoi | Distributed by Gooyaabi
k